রাজনীতি শুধু নেতৃত্ব বা সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, মানবসেবার মাধ্যমেও একজন নেতা মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারেন। তেমনই একজন ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব মহানগর বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জলিল কাকা।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তাঁর ছেলে জিহাদ সমাজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অবহেলিত একটি মানবিক কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। তারা মৃত ব্যক্তিদের ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী গোসল করানোর দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই কাজটি যেমন সওয়াবের, তেমনি সাহস ও মানবিকতারও এক অনন্য উদাহরণ।
বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়, যখন সংক্রমণের ভয়ে অনেকেই মৃত ব্যক্তিদের কাছেও যেতে সাহস পাননি, তখন জলিল কাকা ও তাঁর ছেলে নির্ভীকভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে তারা অসংখ্য মরদেহের দাফন-পূর্ব প্রস্তুতির কাজে অংশ নিয়ে মানবতার সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
জানা যায়, ছোটবেলা থেকেই জিহাদকে মানবসেবা ও দ্বীনি শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছেন তাঁর বাবা। শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সন্তানকে মানবিক মূল্যবোধ, সমাজসেবা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার শিক্ষা দিয়েছেন তিনি। জলিল কাকার বিশ্বাস, একজন মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নৈতিক ও মানবিক শিক্ষার বিকল্প নেই।
স্থানীয়দের মতে, জলিল কাকা একজন সৎ, বিনয়ী ও মানবিক নেতা। রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন। প্রচার-প্রচারণার আলো থেকে দূরে থেকে নীরবে সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ায় এলাকাবাসীর কাছেও তিনি বিশেষভাবে প্রশংসিত।
সমাজ সচেতন মহল মনে করেন, বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মকে মানবিক ও সমাজসেবামূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করতে জলিল কাকার মতো ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড তুলে ধরা জরুরি। কারণ তাঁর মতো মানুষেরাই প্রমাণ করেন, নেতৃত্বের প্রকৃত সৌন্দর্য মানুষের সেবার মধ্যেই নিহিত।
মানবসেবায় নিবেদিত এই বাবা-ছেলের কর্মকাণ্ড সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং নতুন প্রজন্মকে মানবতা, নৈতিকতা ও সমাজকল্যাণের পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করছে।