গাজীপুর জেলা কালীগঞ্জ উপজেলায় ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ এর হল রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আজ বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টায় ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ আলোচনা হয়। পরবর্তীতে উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের খলাপাড়া বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বাদ জোহর নিহতদের স্মরণে উপজেলার সকল মসজিদ/মন্দির/গীর্জা/প্যাগোডা বিশেষ মোনাজাত/প্রার্থনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে নিরীহ নিরপরাধ বাঙালী জাতির ওপর বর্বর পাকিস্থানী বাহিনীর পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের বর্ণনা তুলে ধরে আলোচনা করেন বিভিন্ন বক্তারা।
নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এই গণহত্যায় কালীগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা হারিয়েছি। অনেক রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। দেশটি স্বাধীন হয়েছে বলেই আমরা আজ এখানে দাঁড়িয়ে আছি, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছি। এই স্বাধীনতার পেছনে অকুতোভয় বীরসেনানিদের চরম আত্মত্যাগ রয়েছে। এই বীরসেনানিদের প্রতি আমাদের দায় আছে, রক্তের ঋণ আছে। রক্তের এই ঋণ আমাদের প্রতিদিন স্মরণ করতে হবে।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সারওয়ার লিমা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার , উপজেলা নির্বাচন অফিসার, গণমাধ্যম কর্মী মুজিবুর রহমান প্রমুখ।
এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আফরোজা বেগম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোরসালিন মেহেদী, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী এম এ আকাশ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ইশরাত জাহান, বাহাদুরসাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন আহমেদ, কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন, সাংবাদিক শাহনেওয়াজ, পনির খন্দকার, রফিক সরকার, আব্দুর রহমান আরমান, সহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।