April 21, 2026, 8:16 am
শিরোনাম :
গাজীপুর মহানগর টঙ্গীতে মাদক কারবারীদের হাতে পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের দুই পরিদর্শককে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান দিরাইয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে মব কালচারের শিকার সংবাদকর্মী রিফাত: জামায়াত নেতা ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ। একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি পরিবারের লোকজন সন্ধান চাই উলিপুরে বিজ্ঞানচর্চায় নতুন দিগন্ত: জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী উচ্ছ্বাস বনের গাছ কেটে নির্মাণ করা হয়েছে বহুতল ভবন কালিয়াকৈর বাংলা বর্ষবরণে বৈশাখী মঙ্গল শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় কুষ্টিয়ায় মাজার ভাঙচুরের পর অগ্নিসংযোগ,কথিত ‘পীর’ নিহত গোবিন্দগঞ্জ হাসপাতালে আধুনিক ডেন্টাল ইউনিটের শুভ উদ্বোধন……. ছাতক দোয়ারায় হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ।

রাঙামাটিতে কেরাম খেলার আড়ালে দেহ ব্যবসা: জনমনে চরম ক্ষোভ

রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি:

 

 

রাঙামাটি শহরের কোতোয়ালি থানাধীন সিও অফিস এলাকায় কেরাম বোর্ড খেলার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলছে অবৈধ দেহ ব্যবসা। স্থানীয় ‘বাবু কুলিং কর্নার’ নামক একটি দোকানের আড়ালে এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে অভিযোগ উঠেছে জনৈক মোঃ শাহজাহানের বিরুদ্ধে।
কেরাম বোর্ডের আড়ালে অনৈতিকতার আস্তানা
অনুসন্ধানে জানা যায়, সিও অফিস এলাকার সিও অফিস কলোনির পাশেই অবস্থিত ‘বাবু কুলিং কর্নার’। এই দোকানের পেছনের অংশে কেরাম বোর্ড খেলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ বহু বছর ধরে এই খেলার আড়ালেই চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। কেরাম খেলার নাম করে আসা বহিরাগতদের মাধ্যমেই এই সিন্ডিকেট পরিচালিত হয়।
অভিযোগের তীর ওই এলাকার বাসিন্দা মোঃ শাহজাহান (৫৬) এর দিকে। তিনি মৃত পনু জমাদারের পুত্র। স্থানীয়দের দাবি, তার পরিচালনাতেই এই আস্তানাটি দীর্ঘদিন ধরে টিকে আছে। বয়স্ক এই ব্যক্তির ছত্রছায়ায় এলাকায় প্রতিনিয়ত বহিরাগতদের আনাগোনা বাড়ছে, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশকে কলুষিত করছে।দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ,এলাকার সচেতন নাগরিকরা বলছেন, এই অবৈধ ব্যবসা একদিনের নয়, বরং কয়েক বছর ধরে চলে আসছে। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করা হলেও তা বন্ধ হয়নি। বরং কেরাম বোর্ডের দোকানের আড়ালে কৌশলে এই কারবার চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
অবিলম্বে এই অনৈতিক আস্তানা উচ্ছেদ করতে হবে।
মূল অভিযুক্ত শাহজাহানসহ এর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
সিও অফিস এলাকার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।কোতোয়ালি থানা পুলিশের প্রতি এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন যেন দ্রুত অভিযান চালিয়ে এই দীর্ঘমেয়াদী অপরাধের অবসান ঘটানো হয়।