সড়কের পাশে এমন একটা বন্ধ ফিলিং স্টেশন দেখতে পান। হোসেন ফিলিং স্টেশন। যেখানে পোস্টার টাঙিয়ে দেওয়া: তেল নাই। চেক করেন। দেখেন তেল মজুদ আছে। ২৮ হাজার লিটার!
৭ হাজার লিটার পেট্রোল, সাড়ে ৬ হাজার লিটার অকটেন এবং সাড়ে ১৪ হাজার লিটার ডিজেল রয়েছে।
অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাত্র ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়! যাই হোক, এরপর ভোক্তা পর্যায়ে তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।
প্রায় সেইম সিনারিও রয়েল ফিলিং স্টেশনে। পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ ছিল। অভিযান চালানো হয়৷ দেখা যায় ২৫ হাজার ৯০০ লিটার জ্বালানি মজুদ আছে!
সাড়ে তিন হাজার পেট্রোল, তিন হাজার ৪০০ লিটার অকটেন ও ১৯ হাজার লিটার ডিজেল।
এরা কিছুটা বুদ্ধিমান। আগে থেকে মেশিন এদিক-ওদিক করে রাখে। ইউএনও কে বলে যে মেশিনে সমস্যা, ক্ষমা চাই। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে মেশিন ঠিকও করে ফেলে! পরে এদেরকে জরিমানা করা হয়নি। তবে ভোক্তা পর্যায়ে তখন থেকে তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।